Defence Research Forum- DefRes
ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আর বিজেপির মুখপাত্র অমিত শাহ প্রায়ই বাংলাদেশকে অকথ্য ভাষায় নগ্নভাবে আক্রমণ করতে দেখা যায়। কোন রাজ্যের নির্বাচন এলে এর মাত্রা আরো বহু ডিগ্রি বেড়ে যায়। তাকে প্রায়শই বলতে শোনা যায় যে,”বাংলাদেশীরা উইপোকা”, “বাংলাদেশীরা অনুপ্রবেশকারী” খেতে পায় না,তাই তারা ভারতে প্রবেশ করেছে। এরকম আরো অনেক নেতিবাচক ব্যাপার। যার বাস্তবিক কোন ভিত্তি নেই। প্রতিবেশী বন্ধুসুলভ দেশের একজন মন্ত্রী পর্জায়ের ব্যক্তি বাংলাদেশকে এভাবে হেয়প্রতিপন্ন করছে অথচ বাংলাদেশি কোন শ্রেণির সাংবাদিক তাদের দায়িত্ববোধ থেকে এত কোন প্রতিবদ তো দুরের কথা আমাদের দেশের প্রথম সারির গণমাধ্যম কেউই এর প্রতিবাদ করছে না!
একে কি চাটুকারিতা বলবো নাকি ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে যাওয়ার দশা বলবো?
আপনারা কিসের ভয় পাচ্ছেন?
দেশকে অপমান করছে, এর প্রতিবাদের জন্য দুঃসাহসের প্রয়োজন হয় তা জানা ছিলোনা।
ভারতের ইলেকশনের রেজাল্ট যেদিন বের হয় আপনারা তো ঠিকই ওইদিন ফ্রন্টপেইজে বড় করে ওদের খবর ছাপেন! কিন্তু বাংলাদেশকে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ যখন করে,তখন আপনাদের সাংবাদিকতা কোথায় থাকে?
একটা ব্যাপার মনে আছে, ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেট কভার করতে যখন বাংলাদেশী সাংবাদিকেরা মুম্বাই যান, আমাদের সাংবাদিক ভাইরা নাকি হোটেলে কোন রুমই পায় নাই। সবাইকেই হোটেলের বাইরে রাত কাটাতে হয়েছিল। কাউকে আবার ছোট করা হয়েছিল বাংলাদেশি বলে এইভাবে তারা আমাদের সাংবাদিকদের আতিথ্য প্রদান করেছিল। আবার দেখবেন বাংলাদেশ নিয়ে ভারতীয় মিডিয়া কতটা এক্টিভ। পান থেকে চুন খসলেই বাংলাদেশকে ধোপা খানার ধুয়ে দেওয়া হয়।
আপনাদের শুভবুদ্ধির উদয়ের অপেক্ষায় থাকবো আমরা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ। আপনাদের আত্মসম্মানের জন্ম হউক, প্রর্থনা রইলো।