থাইল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিতে বাংলাদেশের মেয়েরা

Logo

স্পোর্টস ডেস্ক
১৭ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার), ২০২৬
থাইল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিতে বাংলাদেশের মেয়েরা

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১২ রানের প্রয়োজন বাংলাদেশ নারী দলের। আগের ১৯ ওভারের কোনোটিতে ১০ রানের বেশি নিতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। জয়ের পাল্লা তাই থাইল্যান্ডের দিকেই হেলে ছিল। তবে শেষ ওভারে সব হিসাব পাল্টে দিলেন ফারজানা ইয়াসমিন। শরীফা খাতুন প্রথম বলে সিঙ্গেল নিলে স্ট্রাইকে যান ফারজানা। দ্বিতীয় বলে চার, তৃতীয় বলে ছক্কা। নিমিষেই ম্যাচ সমতায়। চতুর্থ বলে অবশ্য আউট হয়ে যান বাংলাদেশের এই ব্যাটার। তবে পঞ্চম বলে জান্নাতুল ফেরদৌস সিঙ্গেল নিলে লক্ষ্যপূরণ হয়ে যায় এক বল আগেই। এতেই নারী এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারসে থাইল্যান্ডকে ৩ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ নারী ‘এ’ দল।
এই জয়ের মাধ্যমে গ্রুপ ‘বি’ থেকে সবার আগে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ। ২ ম্যাচে বাংলাদেশের সংগ্রহ সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট। অন্যদিকে সমান ২ করে পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। তাদের মধ্যকার ম্যাচে যে জিতবে, তারাই দ্বিতীয় দল হিসেবে সেরা চারের টিকিট পাবে।
ব্যাংককের টার্ডথাই ক্রিকেট গ্রাউন্ডে রান তাড়ায় বাংলাদেশের লক্ষ্য ছিল ১০৪। লো-স্কোরিং ম্যাচে রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশ। চাপ সামলে উঠতে না উঠতে হারাতে থাকে একের পর এক উইকেট। ইনিংসের মাঝপথে গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়েন অধিনায়ক ফাহিমা খাতুন ও লতা মণ্ডল। আর শেষদিকে ফারজানা ইয়াসমিনের সাহসী ব্যাটিংয়ে জয় পায় বাংলাদেশ।
শেষ ৬ ওভারে মাত্র ৩২ রান দরকার ছিল বাংলাদেশের। হাতে উইকেট ছিল পাঁচটি। সেখান থেকে শেষ ওভারে দরকার পড়ে ১২ রানের। মন্থর গতির পিচে যা ছিল প্রায় অসম্ভব। কিন্তু শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে চার ও তৃতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন ফারজানা। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন লতা মণ্ডল। ২৬ রান আসে শারমিন সুলতানার ব্যাট থেকে। আর ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন ফারজানা ইয়াসমিন। ১২ রান করেন ফাহিমা খাতুন। বাকিরা কেউ দশের কোটা পূরণ করতে পারেননি। এর আগে ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নামে থাইল্যান্ড। বাংলাদেশের বোলারদের সামনে সুবিধা করতে পারেননি থাই ব্যাটাররা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৪ রান করেন নান্নাপাত কোনছারেনকাই। নাটথাকান ছানথামের ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। এছাড়া কেউই বিশের ঘর স্পর্শ করতে পারেননি। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট নেন ফাহিমা খাতুন ও শরিফা খাতুন। একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।

Source: https://www.mzamin.com/article/1471/%E0%A6%A5%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE