Bangla Telegraph
২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ন
রাজধানীর ভাষানটেকে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ পুনর্গঠনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধির বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে তরুণদের কর্মসংস্থান, কৃষি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনসহ নানা সামাজিক সমস্যার সমাধানে কাজ করা হবে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাজধানীর ভাষানটেকে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। এখন সময় দেশ গঠনের। স্বৈরাচারী শাসনের কারণে রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠনের জন্য জনগণের ভোটে প্রকৃত প্রতিনিধি নির্বাচন জরুরি। তিনি বলেন, জবাবদিহিমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হলে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির মাধ্যমেই দেশ পরিচালিত হতে হবে।
জনসভায় উপস্থিত মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধিদের জনগণের কাছে গিয়ে তাদের সমস্যা শোনা এবং সমাধান করাই হবে বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতে প্রতিটি নির্বাচিত প্রতিনিধি জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।
নিজের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, কৃষকদের জন্য বিশেষ কার্ড ও সহজ ঋণের ব্যবস্থা করে কৃষি খাতকে শক্তিশালী করা হবে। যুব সমাজকে প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা হবে, যাতে তারা দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে কিংবা বিদেশে দক্ষ শ্রমিক হিসেবে কাজের সুযোগ পায়। নারীদের জন্য কর্মসংস্থান ও ফ্যামিলি কার্ড চালুর পাশাপাশি তাদের ক্ষমতায়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
‘করব কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই শপথ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অতীতে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে মানুষ উন্নয়ন দেখেছে। দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে ধানের শীষকে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সমাবেশ শুরুর আগে ভাষানটেক এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলেন তারেক রহমান। ভ্যানচালক, গৃহিণী, বস্তিবাসী ও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরাসরি এলাকার সমস্যা শোনেন এবং নির্বাচিত হলে তা সমাধানের আশ্বাস দেন।
এদিন আসরের নামাজের আগেই বিআরবি মাঠে বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ঢল নামে। মাগরিবের আগেই মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। বিপুল জনসমাগমের কারণে অনেকেই মাঠে প্রবেশ করতে না পেরে আশপাশের সড়কে অবস্থান নেন।
Source: https://www.banglatelegraph.com/article/175701








