- ২৪ ডেস্ক
দণ্ডিত পলাতক আসামি শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ভারত সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সোমবার (১৭ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তিনি জানান, চিঠিটি সোমবার রাতে বা মঙ্গলবার সকালের মধ্যে পাঠানো হবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় এই অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এ বিষয়ে পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, ‘আমার বোঝাপড়া হলো- আদালত রায়ে দণ্ড ঘোষণার পর তাকে ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন, এবং আমরা ভারতকে সরকারিভাবে তা অবহিত করব।’
এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, জুলাই হত্যাকাণ্ডে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাদের দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় তাদের প্রত্যর্পণ ভারতের জন্য একটি ‘চুক্তিবদ্ধ বাধ্যবাধকতা’।
চিঠিটি ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন অথবা নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের মাধ্যমে ভারত সরকারের কাছে পৌঁছানো হবে। এর আগেও শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হলেও ভারত তাতে সাড়া দেয়নি। তবে উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন উল্লেখ করেন, ‘এখন পরিস্থিতি ভিন্ন… বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং তারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।’
বিদ্যমান চুক্তির অধীনে ভারত দণ্ডিতদের ফেরত পাঠাতে আইনত বাধ্য কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, বিষয়টি আইনি ব্যাখ্যার ওপর নির্ভর করছে। ভারত যদি এই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে, সেক্ষেত্রে ঢাকার পদক্ষেপ কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি দেখা দিলে আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।’
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দুই দেশের মধ্যে থাকা প্রত্যর্পণ চুক্তির অধীনে দণ্ডিত এই দুজনকে আশ্রয় দেওয়া একটি ‘অমিত্রসুলভ আচরণ’। মন্ত্রণালয় এটিকে ন্যায়বিচার অস্বীকার করার শামিল বলেও উল্লেখ করে।









