
বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ হতাশা প্রকাশ করে।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ইইউ পার্লামেন্টে প্রস্তাব পাস
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের রেজ্যুলেশনে প্রতিফলিত পক্ষপাতিত্বের কারণে বাংলাদেশ সরকার হতাশ। কেননা ‘অধিকার’ রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট সংস্থা, যেখানে তাদের ভুল তথ্য প্রচারের প্রমাণিত রেকর্ড রয়েছে। সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থাকে উৎসাহিত করে, এমন স্বার্থান্বেষী মহলের সহযোগী এই সংস্থাটি। এটা সকলের জানা সত্য যে ‘অধিকার’-এর সেক্রেটারি আদিলুর রহমান খানকে বিএনপি-জামায়াত সরকার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত করেছিল। সেই পদে তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর কাজ করেছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার ইইউ রেজ্যুলেশনের পাঠ্যের সঙ্গে একমত নয়। বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টসহ-এর সকল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার ৫০ বছরের দীর্ঘ ক্রমবর্ধমান অংশীদারিত্বকে গভীরভাবে মূল্যায়ন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতির ভিত্তিতে অর্থপূর্ণ সম্পৃক্ততার মাধ্যমে অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা করে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে।
উল্লেখ্য, এক দশক আগে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অভিযোগে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে হওয়া মামলায় মানবাধিকার সংগঠন অধিকার সম্পাদক আদিলুর রহমান খান ও সংস্থাটির পরিচালক এ এস এম নাসির উদ্দিন এলানকে দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল।
বৃহস্পতিবার রায় পর্যবেক্ষণের জন্য বেশ কয়েকটি দূতাবাসের প্রতিনিধি, মানবাধিকার কর্মীসহ বিশিষ্টজনরা আদালতে হাজির হন।
বাংলাদেশ সময়: ২৩০৯ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৩
টিআর/এমজেএফ