এর আগে সকাল ১০টা থেকে নেতাকর্মীরা মতিঝিল এলাকায় অবস্থান নেবেন। সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বাধা-বিপত্তির মধ্যেও যেকোনো পরিস্থিতিতে মহাসমাবেশ করবেন তারা। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কোনো বাধা আসলে তা প্রতিহত করা হবে এমনটাও বলেছেন কেউ কেউ।
এদিকে শাপলা চত্বরে দলীয় কর্মসূচি নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন, থানা, ওয়ার্ড, মহানগর ও জেলার নেতাদের বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে জামায়াত। সেখানে সবাইকে কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ে মতিঝিলে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। সেইসঙ্গে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সমাবেশস্থল ত্যাগ না করতে সতর্কবার্তা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির একাধিক সূত্র। জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান আজকের মহাসমাবেশ থেকে সরকার পতনের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দেয়ার কথা রয়েছে। দলীয় নেতারা জানায়, জামায়াতের ঢাকা মহাসমাবেশের বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেছেন তারা। ইতিমধ্যে সারা দেশ থেকে নেতাকর্মীরা ঢাকায় অবস্থান করছেন। সকালে বিভিন্ন ইউনিটের নেতারা মতিঝিলে জড়ো হবেন। মহাসমাবেশ সফল না করে তাদের কেউ স্থান ত্যাগ করবেন না বলেও জানান তারা।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের একজন সদস্য মানবজমিনকে বলেন, সভা-সমাবেশ করা রাজনৈতিক দলগুলোর গণতান্ত্রিক অধিকার। আমরা রাষ্ট্রীয় বিধি মেনেই মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছি। নিয়ম মেনেই মহাসমাবেশ করবো। প্রশাসনের সহযোগিতা চাই। অনুমতি নয়। ২৮শে অক্টোবর লাখো মানুষের ঢল নামবে। এই মহাসমাবেশ থেকে সরকার পতন আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা আসবে। মহাসমাবেশ ঘিরে গতকাল ঢাকা মহানগর উত্তরের সমন্বয় সভায় দলটির কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের ভারপ্রাপ্ত আমীর আব্দুর রহমান মূসা বলেছেন, কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠা, আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানসহ কারারুদ্ধ নেতাকর্মী, আলেম-উলামাদের মুক্তি এবং দ্রব্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণের দাবিতে শনিবারের মহাসমাবেশ হবে মুক্তিকামী মানুষের জন্য মাইলফলক।
মানব জমিন