Site icon The Bangladesh Chronicle

তারপরও পেসারদের নিয়ে গর্বিত গিবসন


প্রথম টেস্টের প্রথম দিন শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৫৮ রান। দিনটা কিউইদেরই বলা চলে। তবে বল হাতে দিনের শুরুটা ভালো করেছিল বাংলাদেশের পেসাররা। গোটা দিনের হিসাব করলে পেসাররাও বিবর্ণ। কারণ পেসাররা নিয়েছে মোট তিন উইকেট। একটি রান আউট। আরেকটি নিয়েছে পার্ট টাইম বোলার হিসেবে মাঝে মধ্যে আবির্ভূত হওয়া অধিনায়ক মুমিনুল হক। তারপরও দিন শেষে পেসারদের নিয়ে গর্ব করার অনুষঙ্গ খুঁজে পাচ্ছেন বাংলাদেশের বোলিং কোচ ওটিস গিবসন।

শুরুর চিত্র অবশ্য পেসারদেরই ছিল। প্রথম ৯ ওভারে কিউইদের রান ছিল ১ উইকেটে ২! তাসকিন আহমেদ ও শরিফুল ৪ ওভার করে বোলিংয়ে রান দেন কেবল ১টি করে। প্রতিপক্ষ অধিনায়কের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটি নেন শরিফুল। নবম ওভারে আক্রমণে এসে ইবাদত হোসেনও শুরু করেন মেডেন নিয়ে। নিউজিল্যান্ড প্রথম বাউন্ডারির দেখা পায় দশম ওভারে। ওপেনার উইল ইয়াং প্রথম রানের স্বাদ পান ২২ বল খেলে। প্রথম ঘণ্টায় ১৩ ওভারে রান আসে কেবল ১৫। কিন্তু পরের ঘণ্টা থেকেই চিত্র বদলাতে শুরু করে।

দিন শেষে নিউজিল্যান্ডের অবস্থানই ভালো। বড় স্কোরের পথে হাটছে স্বাগতিকরা। তবে দিন শেষে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে পেসারদের নিয়ে প্রশংসা ঝড়ালেন গিবসন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আমরা খুব একটা ঘাস দেখতে পাই না (উইকেটে)। ঘাস তাই একটা ব্যাপার। টসের সময় আমাদের মনে হয়েছিল, নতুন বলে কিছু মুভমেন্ট মিলবে, যা মিলেছে। তবে আজকে বেশ গরম ছিল। উইকেটের আর্দ্রতা দ্রুতই শেষ হয়ে যায় এবং এরপর উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো হয়ে ওঠে। অনেকটাই নিষ্প্রাণ হয়ে যায় উইকেট।’

তিনি বলেন, ‘ছেলেরা যেভাবে লড়েছে, তাতে আমি গর্বিত। ফাস্ট বোলাররা হাল ছাড়েনি। মিরাজ এক পাশ দারুণভাবে আটকে রেখে অন্য প্রান্ত থেকে ফাস্ট বোলারদের বল করানোর সুযোগ করে দিয়েছে। যেটা বললাম, আমরা লড়াই চালিয়ে গেছি, এতে আমি গর্বিত।’

২০ ওভার বোলিং করে ৫৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়ে দিনের সেরা বোলার নিঃসন্দেহে শরিফুল ইসলাম। উইকেট না পেলেও তাসকিনও ভালো বোলিং করেছেন। ইবাদত ছিলেন একটু খরুচে। তারপরও গিবসন বললেন, ‘কঠিন কন্ডিশনে সব ফাস্ট বোলারই ভালো বল করেছে। তাদের জন্য অচেনা কন্ডিশন। ইবাদতও ভালো বল করেছে। সব মিলিয়ে আমি মনে করি, সব ফাস্ট বোলারই অনেক চেষ্টা করেছে। গরমও বেশ ছিল। আমি তাই গর্বিত ছেলেরা যেভাবে দিনজুড়ে লড়াই চালিয়ে গেছে। আরও উইকেট আমরা পেতে পারতাম। তবে এটাও মনে রাখতে হবে, দেশের মাঠে বিশ্বের সেরা দলের সঙ্গে খেলছি আমরা। বিশেষ করে ডেভন কনওয়ে সত্যিই ভালো খেলেছে।’

Exit mobile version