বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর গুলশান বিএনপি চেয়ারপারসনের বাসভবনের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আমরা আগেও বলেছিলাম যে, উনাকে মাঝে মাঝে হাসপাতালে যেতে হবে। কারণ উনার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন আছে, যেগুলো বাসায় করা সম্ভব না। সেজন্য হাসপাতালে উনাকে কিছুক্ষণ সময়ের জন্য যেতে হবে। বিশেষ করে সিসিইউতে উনাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। ওখানে উনার বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা করার পরে উনার ডাক্তাররা কিছু কিছু ওষুধ, কিছু কিছু চিকিৎসা এবং কিছু কিছু পরীক্ষা নতুনভাবে করিয়েছেন। রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কিছু ওষুধ দেয়ার পরে উনি কিছুটা সুস্থবোধ করেন।
সুস্থতাবোধ করার কারণে উনার মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে আবার বাসায় নিয়ে আসা হয়েছে। এপর্যন্ত উনি অনেকটা সুস্থবোধ করছেন। আমরা কিছু কিছু পরীক্ষা বাসাতেই করাই। তবে পরবর্তীতে তাকে আবার হাসপাতালে নিয়ে যেতে হতে পারে।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, উনার সুস্থতা ক্ষণিকের সুস্থতা। উনাকে সুস্থ রাখার যে চেষ্টা, আপনার জনস হপকিনস চিকিৎসকরা টিপস করে দিয়ে গিয়েছেন সেটির মাধ্যমে উনি কিছুটা সুস্থ আছেন। কিন্তু উনার যে ক্রনিক লিভার ডিজিজ, হাইপারটেনশন যে ভালো হয়ে গেছে- তা কিন্তু না। তাই আগেও যেমন আমরা বলেছি, এখন আবার বলছি- মেডিকেল বোর্ড আজকেও বলেছে, উনাকে মাল্টিডিসিপ্লিনারি সেন্টারে নিয়ে গিয়ে উনার যে লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের সম্ভাব্যতা আছে, সেটার চেষ্টা করা। তাহলেই উনার ক্রনিক লিভার ডিজিজ এর জটিলতা নিরসন করা যাবে। তখনই ক্রনিক লিভার ডিজিজ থেকে যে সুস্থতা, সেই সুস্থতার তিনি যাবেন। যত দ্রুত আমরা এটা করতে পারবো, সেটা ততই উনার জন্য মঙ্গল এবং শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে চিকিৎনকরা মনে করেন।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে রাত ১২টায় তিনি বাসায় (ফিরোজা) ফিরেন।
manabzamin