চট্টগ্রাম চেম্বারের সব পদে ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের জয়

Bonikbarta

ছবি—সংগৃহীত

নগরের আগ্রাবাদে অবস্থিত ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৬ হাজার ৭৮০ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ হাজার ৭২৫ জন, যা মোট ভোটের প্রায় ৪০ শতাংশ।

দীর্ঘ এক যুগ পর নির্বাচনের মাধ্যমে নেতৃত্ব ফিরে পেল চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। আজ শনিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ২৪ পরিচালক পদের সবকটিতেই জয় পেয়েছে ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম। ভোট গণনা শেষে বিকালে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মনোয়ারা বেগম।

এদিন চেম্বারের ১৮ পরিচালক পদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বাকি ছয় পরিচালক বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

নগরের আগ্রাবাদে অবস্থিত ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৬ হাজার ৭৮০ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ হাজার ৭২৫ জন, যা মোট ভোটের প্রায় ৪০ শতাংশ।

এ নির্বাচনে সাধারণ শ্রেণী থেকে কামাল মোস্তফা চৌধুরী ১ হাজার ৪০৫ ভোট, এএসএম ইসমাইল খান ১ হাজার ৩৭৪, আবু হায়দার চৌধুরী ১ হাজার ৩৬৪, মো. আমজাদ হোসাইন চৌধুরী ১ হাজার ৩৫২, নাসির উদ্দিন চৌধুরী ১ হাজার ৩২১, আসাদ ইফতেখার ১ হাজার ৩০৬, আমান উল্লা আল ছগির ১ হাজার ২৭৭, মো. গোলাম সরওয়ার ১ হাজার ২৫৯, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান ১ হাজার ২৫৯, মোহাম্মদ শফিউল আলম ১ হাজার ২৪৯ এবং মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী ১ হাজার ২১১ ভোট পেয়ে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।

সহযোগী শ্রেণীতে মো. জাহিদুল হাসান ৬৮৭ ভোট, মো. নুরুল ইসলাম ৬৬১ ভোট, মো. সেলিম নুর ৬৪৬, সরোয়ার আলম খান ৬৪১, মোহাম্মদ মশিউল আলম ৬৩২ এবং মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদ ৬১৮ ভোট পেয়ে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।

ট্রেড গ্রুপ শ্রেণীতে মোহাম্মদ আখতার পারভেজ, মোহাম্মদ আমিরুল হক এবং এস এম সাইফুল আলম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে টাউন অ্যাসোসিয়েশন শ্রেণিতে আফসার হাসান চৌধুরী, মোহাম্মদ মনির উদ্দিন এবং মোহাম্মদ সজ্জাদ উন নবাজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন।

আগামী সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় চেম্বারের প্রেসিডিয়াম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে চেম্বারের সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এবং সহসভাপতি নির্বাচিত করবেন পরিচালকেরা।

চেম্বার সূত্র জানায়, সংগঠনে ব্যবসায়ীদের ভোটে সাধারণ শ্রেণী থেকে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণী থেকে ৬ জন এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণী থেকে ৩ জন করে ৬ জন পরিচালক মিলে মোট ২৪ সদস্যের গঠিত পর্ষদ ভোট দিয়ে একজন সভাপতি ও দুজন সহসভাপতি নির্বাচিত করবেন ।

চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ শ্রেণী থেকে এবার ৩৭ জন নির্বাচন করেছেন । দুই প্যানেলের ২৪ জন ছাড়া আরো ১৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী আছেন। অন্যদিকে সহযোগী শ্রেণীতে নির্বাচন করছেন ১৫ জন। দুই প্যানেলের ১২ জন ছাড়া আছেন ৩ জন স্বতন্ত্র। ট্রেড গ্রুপ ও টাউন অ্যাসোসিয়েশন থেকে ৩ জন করে ৬ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ।

ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের দলনেতা ও চেম্বারের নবনির্বাচিত পরিচালক মোহাম্মদ আমিরুল হক বণিক বার্তাকে বলেন, এক যুগ ধরে ব্যবসায়ীরা ভোট দিতে পারেননি। এ নির্বাচনের মাধ্যমে ভোট দিতে না পারার আক্ষেপ ঘুচল। তৃণমূলের ব্যবসায়ী থেকে বড় শিল্প গ্রুপের ব্যবসায়ীদের সবাই এসেছেন ভোট দিতে। সবচেয়ে আনন্দের কথা হলো দেশের পুরনো ঐতিহ্যবাহী এ চেম্বার এখন থেকে ব্যবসায়িদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।

এবারের নির্বাচন ঘিরে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। একটি ছিল বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি এস এম নুরুল হকের নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ এবং অন্যটি এফবিসিসিআইয়ের সাবেক পরিচালক আমিরুল হকের নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম। তবে নির্বাচনের আগের দিন শুক্রবার সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ নির্বাচনকে ‘প্রহসনের নির্বাচন’ আখ্যা দিয়ে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেয়। যদিও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় ব্যালট পেপারে ওই প্যানেলের সব প্রার্থীর নাম ও প্রতীক ছিল।

Source: https://bonikbarta.com/bangladesh/r0hUybqM7YNIYSMY

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here